মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক | তাং ১৮ নভেম্বর ২০২৫ খ্রী.
জামালপুরে রেলওয়ে ওভারপাসের ক্ষতিপূরণের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া—একে ব্যবসায়ীরা বলছেন সরাসরি প্রতারণা, পরিকল্পিত চাঁদাবাজি। আর সেই অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি—মনিরুজ্জামান মনির।
তাঁর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আজ দুপুরে শহরের গেটপাড়ে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ফেটে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক এনামুল হক খান মিলন, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন, জেলা বই মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, জেলা বিএনপির সাবেক স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ার ইসলাম কর্নেলসহ আরও অনেকে।
ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনের বর্ণনা যেন এক ঘোরতর প্রতারণার কেস স্টাডি।
তিনি বলেন—এক বছর আগে ক্ষতিপূরণের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মনির তাঁর কাছ থেকে ৩৬ লাখ টাকা নেন। কিন্তু টাকা হস্তগত হওয়ার পর মনিরের আচরণ বদলে যায়—ফোন ধরেন না, দেখা হলে এড়িয়ে যান, কথায় টালবাহানা।

গত ১৬ নভেম্বর সোহাগ তার দোকানে মনিরকে ডেকে এনে জিজ্ঞেস করলে মনির সরাসরি এবং প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। শুধু অস্বীকারই নয়—উল্টো গালিগালাজে রূপ নেয় পরিস্থিতি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকার ব্যবসায়ীরা ও বিএনপি নেতারা—মনোয়ার ইসলাম কর্নেল, মিলন খান, শাকিল লস্কর, সাজ্জাদসহ—বিষয়টি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন। তারা মনিরের ছেলেকে সাক্ষী রেখে মনিরকে এক মাসের আল্টিমেটাম দেন টাকা ফেরত দিতে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়—
সোহাগের দাবি, ঘটনায় নিজের দোষ আড়াল করতে মনির পরদিন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
ব্যবসায়ীরা এটাকে বলছেন—ভুক্তভোগীদের অপমান এবং সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার নোংরা চেষ্টা।প্কা
প্রতারক মনিরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আরও অন্যান্য ভুক্তভোগীরা ঘোষণা দিয়েছেন—“৩৬ লাখ টাকা ফেরত তো অবশ্যই চাই; তার পাশাপাশি মনিরের এমন প্রতারণার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আরও মানুষ তার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রতারিত হতেই থাকবে।”