মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

News Headline :
মাদারগঞ্জে “দেশ গড়ার পরিকল্পনা” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত- সিগারেটের অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও ভোক্তা শোষণ: সরকারের নজরদারি জরুরি- জামালপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল- খালেদা জিয়ার স্মরণে জামালপুরে শ্রমিক দলের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল- জামালপুরে ‘কেয়ার অ্যান্ড শাইন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ- মাদারগঞ্জে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ- জামালপুরে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির বিশাল স্বাগত মিছিল ও দোয়া মাহফিল- বিশ্বসেরার তালিকায় বাংলাদেশ; মোস্তাক আহাম্মেদের 1M6W এখন বিশ্বের এক নম্বর এআই ফ্রেমওয়ার্ক- জামালপুরে ক্ষতিপূরণের নামে প্রতারণা; মনিরুজ্জামান মনিরের গ্রেপ্তার দাবি ব্যবসায়ীদের- জামালপুরে মহাসড়কই এখন মাদকপথ; ১৭ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ১ নারী মাদক কারবারি আটক-

জামালপুরে ক্ষতিপূরণের নামে প্রতারণা; মনিরুজ্জামান মনিরের গ্রেপ্তার দাবি ব্যবসায়ীদের-

নিজস্ব প্রতিবেদক | তাং ১৮ নভেম্বর ২০২৫ খ্রী.

জামালপুরে রেলওয়ে ওভারপাসের ক্ষতিপূরণের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া—একে ব্যবসায়ীরা বলছেন সরাসরি প্রতারণা, পরিকল্পিত চাঁদাবাজি। আর সেই অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি—মনিরুজ্জামান মনির।
তাঁর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আজ দুপুরে শহরের গেটপাড়ে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ফেটে পড়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক এনামুল হক খান মিলন, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন, জেলা বই মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, জেলা বিএনপির সাবেক স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ার ইসলাম কর্নেলসহ আরও অনেকে।

ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনের বর্ণনা যেন এক ঘোরতর প্রতারণার কেস স্টাডি।
তিনি বলেন—এক বছর আগে ক্ষতিপূরণের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মনির তাঁর কাছ থেকে ৩৬ লাখ টাকা নেন। কিন্তু টাকা হস্তগত হওয়ার পর মনিরের আচরণ বদলে যায়—ফোন ধরেন না, দেখা হলে এড়িয়ে যান, কথায় টালবাহানা।

গত ১৬ নভেম্বর সোহাগ তার দোকানে মনিরকে ডেকে এনে জিজ্ঞেস করলে মনির সরাসরি এবং প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। শুধু অস্বীকারই নয়—উল্টো গালিগালাজে রূপ নেয় পরিস্থিতি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকার ব্যবসায়ীরা ও বিএনপি নেতারা—মনোয়ার ইসলাম কর্নেল, মিলন খান, শাকিল লস্কর, সাজ্জাদসহ—বিষয়টি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন। তারা মনিরের ছেলেকে সাক্ষী রেখে মনিরকে এক মাসের আল্টিমেটাম দেন টাকা ফেরত দিতে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়—
সোহাগের দাবি, ঘটনায় নিজের দোষ আড়াল করতে মনির পরদিন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
ব্যবসায়ীরা এটাকে বলছেন—ভুক্তভোগীদের অপমান এবং সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার নোংরা চেষ্টা।প্কা

প্রতারক মনিরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আরও অন্যান্য ভুক্তভোগীরা ঘোষণা দিয়েছেন—“৩৬ লাখ টাকা ফেরত তো অবশ্যই চাই; তার পাশাপাশি মনিরের এমন প্রতারণার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আরও মানুষ তার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রতারিত হতেই থাকবে।”



পুরানো খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০৩১