শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

News Headline :
জামালপুরে বিশেষ অভিযানে নারীসহ মাদক উদ্ধার, মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা- ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী- মেলান্দহ উপজেলার অন্তর্গত ‘দুরমুট মেলার’ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, জামালপুর-  জামালপুরের গোপালপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: প্রায় ৭০ লাখ টাকার ক্ষতি-  জামালপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপিত: নারী ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু সুবিচারের আহ্বান- জামালপুরে ধানক্ষেত কেটে ফেলে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ, থানায় জিডি- রমজানের পবিত্র আবহে জামালপুর শহর বিএনপির ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল- মাদারগঞ্জে বসতবাড়িতে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ: স্বর্ণালঙ্কার, নগদ অর্থ ও গরু লুট- জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর জামালপুর সফর-

জামালপুরে ক্ষতিপূরণের নামে প্রতারণা; মনিরুজ্জামান মনিরের গ্রেপ্তার দাবি ব্যবসায়ীদের-

নিজস্ব প্রতিবেদক | তাং ১৮ নভেম্বর ২০২৫ খ্রী.

জামালপুরে রেলওয়ে ওভারপাসের ক্ষতিপূরণের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া—একে ব্যবসায়ীরা বলছেন সরাসরি প্রতারণা, পরিকল্পিত চাঁদাবাজি। আর সেই অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি—মনিরুজ্জামান মনির।
তাঁর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আজ দুপুরে শহরের গেটপাড়ে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ফেটে পড়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক এনামুল হক খান মিলন, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন, জেলা বই মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, জেলা বিএনপির সাবেক স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ার ইসলাম কর্নেলসহ আরও অনেকে।

ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনের বর্ণনা যেন এক ঘোরতর প্রতারণার কেস স্টাডি।
তিনি বলেন—এক বছর আগে ক্ষতিপূরণের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মনির তাঁর কাছ থেকে ৩৬ লাখ টাকা নেন। কিন্তু টাকা হস্তগত হওয়ার পর মনিরের আচরণ বদলে যায়—ফোন ধরেন না, দেখা হলে এড়িয়ে যান, কথায় টালবাহানা।

গত ১৬ নভেম্বর সোহাগ তার দোকানে মনিরকে ডেকে এনে জিজ্ঞেস করলে মনির সরাসরি এবং প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। শুধু অস্বীকারই নয়—উল্টো গালিগালাজে রূপ নেয় পরিস্থিতি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকার ব্যবসায়ীরা ও বিএনপি নেতারা—মনোয়ার ইসলাম কর্নেল, মিলন খান, শাকিল লস্কর, সাজ্জাদসহ—বিষয়টি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন। তারা মনিরের ছেলেকে সাক্ষী রেখে মনিরকে এক মাসের আল্টিমেটাম দেন টাকা ফেরত দিতে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়—
সোহাগের দাবি, ঘটনায় নিজের দোষ আড়াল করতে মনির পরদিন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
ব্যবসায়ীরা এটাকে বলছেন—ভুক্তভোগীদের অপমান এবং সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার নোংরা চেষ্টা।প্কা

প্রতারক মনিরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আরও অন্যান্য ভুক্তভোগীরা ঘোষণা দিয়েছেন—“৩৬ লাখ টাকা ফেরত তো অবশ্যই চাই; তার পাশাপাশি মনিরের এমন প্রতারণার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আরও মানুষ তার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রতারিত হতেই থাকবে।”



পুরানো খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০